Archive for সেপ্টেম্বর, 2008

JADAVPUR PREVIEW/2006

সেপ্টেম্বর 3, 2008
PREVIEW OF JADAVPUR AC/2006 ASSEMBLY ELECTION

PREVIEW OF JADAVPUR AC/2006 ASSEMBLY ELECTION

Advertisements

WHY THIS INDO-US STRATEGIC ALLIANCE? part 1

সেপ্টেম্বর 3, 2008
PART 1

PART 1

WHY THIS INDO-US STRATEGIC ALLIANCE? part 2

সেপ্টেম্বর 3, 2008
part 2

part 2

দেশের অর্থনীতি কি এবার চলবে ওয়াশিংটন থেকে ?

সেপ্টেম্বর 3, 2008

 

 

 

 

দেশের অর্থনীতি কি এবার চলবে ওয়াশিংটন থেকে ?

অজয় দাশগুপ্ত : পরমাণু চুক্তি থেকে ব‌্যাঙ্ক-বীমা-পেনশন ফান্ড বেসরকারী হাতে তুলে দেওয়াতে বাধা যে একমাত্র বামপন্থীরাই, সেটা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছিলেন ওয়াল স্ট্রিটের কর্তা থেকে শুরু করে মুম্বাই স্টক এক্সচেঞ্জের মাতব্বররা।

তাই আসলে লড়াইটা শুরু হয়েছিল প্রথম দিন থেকেই। সাধারণ ন্যূনতম কর্মসূচী রূপায়ণের শর্তে বামপন্থীদের সমর্থনে ভারতের সরকার গঠিত হওয়ার সংবাদেই আর্তনাদ উঠেছিল ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে। সরাসরি এমন প্রশ্নও ওরা  তুলেছিল, যে সাধারণ নির্বাচনে ভারতের ‘অর্থনৈতিক সংস্কার’ প্রক্রিয়াই থেমে যাবে, সেই দেশে গণতন্ত্রের মূল্য কী ? ভাবুন একবার, কি সাংঘাতিক ঔদ্ধত্য ! আর সেই প্রেক্ষাপটেই বিদেশী অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানগুলির অঙ্গুলিহেলনে মুম্বাই শেয়ার বাজারের তর্‌ তর্‌ করে নেমে যাওয়া, আতঙ্কিত সোনিয়া গান্ধীর ‘প্রত‌্যাখান’-এর ভাবমূর্তি নির্মাণ যার অবশ্যম্ভাবী ফলশ্রুতিতে  তথাকথিত ‘অর্থনৈতিক সংস্কার’-র গুরু মনমোহন সিং ও ওয়াল স্ট্রিট কর্তাদের ‘চোখের মণি’ মন্টেক-চিদাম্বরম বাহিনীর মসনদে আরোহণের পথ মসৃণ হওয়া।

গত চার বছর তাই লড়াই চলেছে প্রতিদিন, প্রতিমূহুর্তে। ওরা বলেছে, ডি ভি সি, এন টি পি সি-র শেয়ার বাজারে বেচবো। বামপন্থীরা বলেছেন, না, ওগুলো দেশের ‘নবরত্ন’ শিল্প, ওগুলোই যদি দেশী-বিদেশী হাঙরদের বেচে দাও, তবে  আমাদের রইলোটা কী? চিদাম্বরম বললেন, তাহলে টেলিকম আর বিমানবন্দরে ওরা আরো বেশিভাবে ঢুকুক। বামপন্থীরা বললো, সর্বনাশ! তা কি করে হয় ? এগুলো তো দেশের নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত। ওরা বললো, এত টাকা পেনশন তহবিলে রেখে কি হবে ? এগুলো খাটুক শেয়ার বাজারে। বামপন্থীদের সাবধানবাণী, শ্রমিক-কর্মচারীদের কষ্টার্জিত টাকা এভাবে শেয়ার বাজারে ছিনি-মিনি খেলার জন্য নয়। ওয়াল স্ট্রিটের মুরুব্বিরা চেয়েছে, তাই চিদাম্বরমরা বলেছেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক-বীমাশিল্প, গোটা আর্থিক ক্ষেত্রকেই খুলে দেওয়া হোক খোলাবাজারে। সরাসরি আসুক বিদেশী প্রতিষ্ঠানিক সংস্থাগুলো। সংসদ তোলপাড় করে বামপন্থীরা বলেছেন, তাহলে কি দেশের অর্থনীতি এবার চলবে ওয়াশিংটন থেকে ?  সংসদের বাইরে ব‌্যাঙ্ক-বীমাশিল্পের কর্মচারী-অফিসাররা একবাক্যে বলেছেন, মানবো না। যেদিনই সংসদে পেশ হবে এই বিল, সেদিন গোটাদেশে খুলবে না দেশের একটি ব‌্যাঙ্কের দরজাও।

সংঘাত লেগেছে প্রতিনিয়ত। সংঘাত অভিমুখ নিয়ে। বামপন্থীরা বলেছেন, তুমি দেশের সরকার, তুমি কার স্বার্থে চলবে ? দেশের দু’বেলা দু’মুঠো খেতে না পাওয়া ৭০ ভাগ মানুষের স্বার্থে, না স্ত্রীর জন্মদিনে ২৫০ কোটি টাকার জেট বিমান উপহার দেওয়া সেই শিল্পপতির স্বার্থে, যে শিল্পপতির পড়ে পাওয়া ষোলো আনা মুনাফার পাহাড় যাতে আকাশ ছোঁয়, তারজন্য তুমি দু’দিন অন্তর তেলের দাম বাড়িয়েই চলেছো। আর জিনিসের দাম নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য রেশন দোকানগুলোকে চাঙ্গা করতেই তোমার যতো আপত্তি!  খুচরো ব্যবসার জন্য দেশের ৪ কোটি খেটে খাওয়া মানুষের কি হবে, সেকথা একবারও না ভেবে খোদ প্রধানমন্ত্রী  বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের দোরে দোরে দরবার করছেন আমেরিকার দানব বহুজাতিক ‘ওয়াল মার্ট’-এর জন্য! লক্ষ লক্ষ কর্মচারীর তোয়াক্কা না করে মন্টেক সিং আলুওয়ালিয়ার দাওয়াই, সরকারী দপ্তরের ঢালাও আউটসোর্সিং, কর্মসঙ্কোচন, কাজের সুযোগ আরো কমিয়ে দাও। এরকম একটার পর একটা।

বামপন্থীরা মানেনি, যতটা সম্ভব রুখেছে, শেষ পর্যন্ত রোখার চেষ্টা করেছে সংসদের ভেতরে এবং সংসদের বাইরে। বিষয়টা যখন দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীন বিদেশনীতির, তখন বামপন্থীদের কাছে আপসের কোনো প্রশ্নই ওঠে না। এবং আমেরিকার যুদ্ধজোটে ভারতের লেজুড় হওয়াকে স্বাভাবিকভাবেই বামপন্থীরা মেনে নেননি। ইউ পি এ সরকার থেকে সমর্থন প্রত‌্যাহার করেছে বামেরা।

আজ তাই ওরা উল্লসিত! না,কড়া অভিভাবকের হাত থেকে স্কুল পালানো ছেলের মুক্তি এটা নয়, জনতার স্বার্থে লড়াকু প্রতিনিধির ‘কারাগার’ থেকে জনবিরোধী ‘দাগী আসামী’র  মুক্তি!  গত ২৩শে জুলাইতেই চিদাম্বরমের উল্লাস তাই সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে। বণিক সভার বৈঠকে গিয়ে উদাত্ত আশ্বাস, ব‌্যাঙ্ক-বীমা-পেনশন বিল এবার রুখবে কে? সংসদের পরের অধিবেশনেই  ৪০০ জনের বেশি সাংসদের সমর্থন আদায় নাকি তাঁর হাতের মুঠোয়। সাগরপাড়ের কর্তাদের উচ্ছাসও চাপা থাকছে না, খোলাখুলি সংস্কারের ‘স্টিমরোলার’ চালানোর সওয়াল তাদের।

কিন্তু গোড়ায় একটা ওরা গলদ করছেন । আসমুদ্রহিমাচল জনতার অভিমতকে থোড়াই কেয়ার করলে যে তার মাশুল গুণতে হবে, সেটা ওদের ধর্তব্যের মধ্যেই নেই, গত লোকসভা নির্বাচনে বি জে পি-কে যা কড়ায়-গন্ডায় গুণতে হয়েছিল।

মানুষ তাই ফুঁসছেন। বামপন্থীদের নেতৃত্বে গত চার বছর লড়াই তারা করেছেন। লড়াইকে আরো তেজীয়ান, তুঙ্গীয়ান করার সঙ্কল্প নিয়েছেন শ্রমিক-কৃষক-কর্মচারী-ছাত্র-যুব-মহিলা-ক্ষেতমজুর-সংগঠিত ও অসংগঠিত সমস্ত ক্ষেত্রের সংগঠন-গণসংগঠনগুলি। আগামী ২০শে আগস্ট দেশজুড়ে সাধারণ ধর্মঘট সেই লড়াইয়েরই একটা ধাপ। 

 

গণশক্তি, ১১ই আগস্ট, ২০০৮, প্রথম কলম

মাহমুদ দারবিশ ( ১৩ই মার্চ, ১৯৪১- ৯ই আগস্ট, ২০০৮)

সেপ্টেম্বর 3, 2008

আপস ছিল তাঁর নাপসন্দ

অজয় দাশগুপ্ত

 

হিউস্টনের হাসপাতালে ওপেন হার্ট সার্জারি করার আগে একটি বন্ডে তিনি লিখে দিয়েছিলেন, ‘যদি আমার মস্তিষ্কের মৃত্যু ঘটে, তৎক্ষণাৎ যেন অক্সিজেনের নলটাও খুলে দেওয়া হয়।’ ঠিক এই একটি ঘটনা দিয়েই ব্যক্তি দারবিশকে, তাঁর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যকে চেনা যায়। জীবন্মৃত হয়ে তিনি কোনোদিনও বেঁচে থাকতে চাননি।

মাহমুদ দারবিশ আরব দুনিয়ায় প‌্যালেস্তাইনের জাতীয় কবিহিসেবেই বিবেচিত হতেন। ৩০টির বেশি কবিতার বই, আর ৮টি গদ্য গ্রন্থের প্রণেতা এই কবি মাতৃভূমি প‌্যালেস্তাইনের প্রতি তাঁর গভীর আবেগের জন্য সুপরিচিত ছিলেন কিন্তু শুধু ‘কবি’, এই পরিচয়েই দারবিশকে সীমাবদ্ধ রাখা অন‌্যায় হবে। কারণ প‌্যালেস্তাইনের মানুষের অবরুদ্ধ ভাষাকে তিনি মূর্ত করেছেন কবিতায়, আকার দিয়েছেন তাঁদের আত্মোপলব্ধিকে।

তাই হাজারো মানুষের ভিড়ে তাঁর কবিতার নির্ঘোষ, কবিতার পংক্তি ডানা মেলেছে সুরের, হয়ে উঠেছে গান। দারবিশের কবিতার লাইন জেগে উঠেছে গাজা ভূখন্ডের বাসিন্দা আরব রমণীর সূচীকর্মে, তরুণ প‌্যালেস্তিনীয়ের টি-শার্টে লোগো হয়ে জোরালো করেছে জায়নবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভাষাকে।   

১৯৪১ সালের ১৩ মার্চ বর্তমান উত্তর ইজরায়েলের গ‌্যালিলি অঞ্চলে হাইফার কাছে আল-বিরওয়া নামে একটি আরব গ্রামে দারবিশের জন্ম। ১৯৪৮ সালের আরব-ইজরায়েল যুদ্ধে তাঁদের পুরো গ্রামই ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়। শৈশবেই বাস্তুহারা হন তিনি। পরে আবার ফিরে এলেও ১৯৭০ সালে  অধিকৃত প‌্যালেস্তাইনে তাঁর ঢোকায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। দীর্ঘ ২৬ বছরের কিছু সময়  মস্কোতে বাদ দিলে কখনো কায়রো, কখনো বেইরুট, কখনো বা টিউনিস, বিভিন্ন আরব দেশের রাজধানী শহরেই ছিল তাঁর নির্বাসনের জীবন এমনকি তাঁর মা যখন মৃত্যুশয‌্যায়, তখনও শেষকৃত্যের জন্য কিছু সময় বাদ দিলে গ‌্যালিলিতে গিয়ে দেখার অনুমতি তাঁকে দেওয়া হয়নি। জীবনের উপান্তে এসে তিনি অনুমতি পান প‌্যালেস্তাইনে বাস করার। ১৯৯৬ সালে জর্ডন নদীর পশ্চিম তীরে(ওয়েস্ট ব‌্যাঙ্ক) রামাল্লা শহরে গিয়ে বসবাস শুরু করেন দারবিশ।

১৯৬০ সালে তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ পাখ্‌হীন পাখি‘ (উইংলেস্‌ বার্ড) প্রকাশের মধ্য দিয়ে আরব সাহিত্য সাংস্কৃতিক অঙ্গনে পরিচিতি লাভ করেন তিনি। তবে মধ্যপ্রাচ্যের রক্তক্ষয়ী দ্বন্দ্ব এবং নিবার্সিত জীবনের যন্ত্রণা তাঁর ক্ষুরধার লেখনীতে ভাষা পেয়েছে সবসময়। ১৯৮২ সালে বেইরুটে থাকার সময় লেবাননে ইজরায়েলী আক্রমণ এবং বোমাবর্ষণের সময় তিনি লিখছেনঃ

‘‘ এই সেই রাস্তা,

আর এখন ঘড়িতে সন্ধ‌্যা ৭টা।

দিগন্ত যেন ইস্পাত বলয়।

আমার নিষ্পাপ আবেগের কথা

আমি এখন কাকে বলবো ?…

এই রাস্তায় এমন আস্তে হাঁটছি

যেন একটা জেট বিমানও

আমাকে বোমার লক্ষ্য হিসাবে ভুল না করে।

শুন্যতা তার করাল বিস্তৃত করেছে,

কিন্তু তাও আমাকে গ্রাস করলো না।

লক্ষ্যহীনভাবে এগিয়ে চলেছি,

যেন এই রাস্তাগুলোকে আমি

প্রথমবার চেনার চেষ্টা করছি

এবং শেষবারের মতো হেঁটে চলেছি।

——‘‘মেমোরি ফর ফরগেটফুলনেস’’ 

 

গভীর পর্যবেক্ষণশক্তির অধিকারী এই কবি পরিণত হয়েছিলেন পুরো মধ্যপ্রাচ্য ও পশ্চিমে প‌্যালেস্তাইনের সাংস্কৃতিক আন্দোলনের প্রতীকে আরবি ভাষায় লেখালেখি করলেও ইংরেজি , হিব্রু ও ফরাসি ভাষায় বাক্যালাপের দক্ষতা দারবিশের ছিল। তাঁর লেখনী এবং রাজনৈতিক আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় উপস্থিতির মধ্য দিয়ে প‌্যালেস্তাইনের  স্বাধীনতা আন্দোলনের বিষয়ে উচ্চকন্ঠ তিনি ইজরায়েলী দখলদারির তীব্র বিরোধিতার পাশাপাশি তিনি সবসময়ই প‌্যালেস্তাইনের রাজনীতিতে ঐক্যের প্রশ্নে সোচ্চার ছিলেন। স্বাধীন প‌্যালেস্তাইনের লক্ষ্যে  সংগ্রামরত হামাস এবং ফাতাহ্‌ গোষ্ঠীর মধ্যে অন্তর্কলহের তীব্রবিরোধী ছিলেন তিনি। একসময়ে ইজরায়েলের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য দারবিশ প‌্যালেস্তাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন বা পি এল ও-র কার্যকরী কমিটিতেও ছিলেন। স্বাধীন প‌্যালেস্তাইনের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে ১৯৮৮ সালে প‌্যালেস্তাইনের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি ছিল মাহমুদ দারবিশেরই লেখা। সেইসময় প‌্যালেস্তাইনের স্বাধীনতা আন্দোলনের অবিসংবাদী নেতা ইয়াসের আরাফত বিশাল এক রাজনৈতিক সমাবেশে  ওই স্বাধীনতার একতরফা ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেছিলেন। কিন্তু ১৯৯৩ সালে ইয়াসের আরাফত ইজরায়েলের সঙ্গে অস্‌লোতে অর্ন্তবর্তীকালীন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করায় পি এল ও থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। কারণ তিনি মনে করতেন এরফলে আপস করা হচ্ছে।

মৃত্যুর আগে দারবিশ রামাল্লাতেই সমাহিত হওয়ার ইচ্ছা জানিয়ে গেছেন। কারণ স্বাধীনতার অদম্য আকাঙ্ক্ষা থেকেই তিনি চাননি অধিকৃত প‌্যালেস্তাইনে তাঁর শেষকৃত্য হোক। 
 
 

 

গণশক্তি, ১৬ই আগস্ট,২০০৮। ajoy_dasgupta@hotmail.com

 
 
 

 

মাহমুদ দারবিশের কবিতা

সেপ্টেম্বর 3, 2008

অজয় দাশগুপ্ত | ১৬ অগাস্ট ২০০৮ ১:১২ পূর্বাহ্ন

১৯৮২ সালে ইজরায়েল যখন লেবাননে আক্রমণ হানে, তখন বেইরুটে নির্বাসিতের জীবন কাটাচ্ছিলেন মাহমুদ দারবিশ। ইজরায়েলি বিমান থেকে এক সন্ধ্যায় বেইরুটে কয়েক পশলা বোমাবর্ষণের পর দারবিশের কলম থেকে বেরিয়ে আসে এই কবিতাটি।

বিস্মৃতির স্মৃতি

এই সেই রাস্তা,
আর এখন ঘড়িতে সন্ধ্যা ৭টা।
দিগন্ত যেন ইস্পাত বলয়।
আমার নিষ্পাপ আবেগের কথা
আমি এখন কাকে বলবো?

এই রাস্তায় এমন আস্তে হাঁটছি
যেন একটা জেট বিমানও
আমাকে বোমার লক্ষ্য হিসাবে ভুল না করে।
শূন্যতা তার করাল বিস্তৃত করেছে,
কিন্তু তাও আমাকে গ্রাস করলো না।
লক্ষ্যহীনভাবে এগিয়ে চলেছি,
যেন এই রাস্তাগুলোকে আমি
প্রথমবার চেনার চেষ্টা করছি
এবং শেষবারের মতো হেঁটে চলেছি।

Hello world!

সেপ্টেম্বর 3, 2008

Welcome to WordPress.com. This is your first post. Edit or delete it and start blogging!

ARTICLE ON 20TH AUGUST GENERAL STRIKE

সেপ্টেম্বর 3, 2008

 

 

বিশ্বাসঘাতকতার জবাব দিচ্ছেন মানুষ

অজয় দাশগুপ্ত

 

কাঠগড়ায় কংগ্রেস। কাঠগড়ায় কংগ্রেসের নেতৃত্বে  ইউ পি এ সরকার।

২০শে তাই চার্জশিট দিয়েছেন দেশের মানুষ।

অভিযোগ বিশ্বাসঘাতকতার। অভিযোগ প্রতিশ্রতিভঙ্গের।

বিশ্বাসঘাতকতা ? বিশ্বাসঘাতকতা নয়!

কি রায় ছিল দেশের মানুষের? সাম্প্রদায়িকতার হিংস্র মুখটাকে কিছুদিন আড়ালে সরিয়ে রেখে ‘ঝক্‌মকে ভারত’-এর স্লোগান নিয়ে যারা মাঠে নেমেছিলেন, গত লোকসভা নির্বাচনে তাদের মানুষ সাফ রায় দিয়েছিলেন। দেশের অধিকাংশ মানুষের স্পষ্ট রায় ছিল এটাই, তোমাদের ‘সোনালী ভারত’ মানে আত্মহত‌্যা করা কৃষকের সারি সারি লাশ, তোমাদের ‘শাইনিং ইন্ডিয়া’-র অর্থ হলো গুজরাট গণহত‌্যা। ‘উজ্‌লা ভারত’-এর স্লোগানের আড়ালে তোমাদের দেশ বেচার ফন্দি, দুনিয়াজুড়ে দখলদারি কায়েমে আমেরিকার যুদ্ধজোটে ছোট শরিক হওয়া। দেশের লাভজনক সরকারী সংস্থা মুনাফালোভী দানব বহুজাতিকের হাতে তুলে দেওয়া, বিশ্বায়ন-বেসরকারীকরণ-নয়া উদারীকরণের ধ্বজা ওড়ানো। অতএব তোমরা আর না।

মানুষের খন্ডিত রায়ে বিশ্বায়নের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে একমাত্র লড়াকু শক্তির স্বাধীনোত্তর ভারতের সংসদে সর্বোচ্চ সংখ্যক আসনপ্রাপ্তি এবং একমাত্র তাঁদের সমর্থনেই দেশের সরকার গড়া সম্ভব, এমন পরিস্থিতির উদ্ভব। 

হ‌্যাঁ, এই প্রেক্ষাপটেই বামপন্থীদের সমর্থনে কংগ্রেসের নেতৃত্বে  ইউ পি এ-র সরকার গঠনের প্রস্তুতি। তখনও মনমোহন সিং-এর বাড়ির ঠিকানা ১৯, সফদরজং রোড থেকে পরিবর্তিত হয়ে ৭, রেসকোর্স রোড হয়নি। ২০০৪ সালের ২০শে মে সাতসকালে ডাকা সাংবাদিক সম্মেলনে ভাবী প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন (বলা চলে মানুষের রায়কে মনে রেখে বলতে বাধ্য হয়েছিলেন), তা আজ ওঁর মনে নাও থাকতে পারে। কিন্তু টি ভি চ‌্যানেলের সরাসরি সম্প্রচারের দৌলতে দেশের মানুষের মনে হয়েছিল, হ‌্যাঁ, আমাদের রায়কে তাহলে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে। মনমোহন সেদিন বলেছিলেন, ‘‘ আমাদের অগ্রাধিকার থাকবে গরিবি-র বিরুদ্ধে লড়াইয়ে। আমাদের কাজের কেন্দ্রবিন্দু হবে গরিব, গ্রামীণ ও কৃষিক্ষেত্র।’’ বলেছিলেন, ‘‘বেসরকারীকরণ আমার আদর্শগত দায়বদ্ধতা নয়…সংস্কার প্রয়োজন, কিন্তু তা এমনভাবে করতে হবে যাতে তার সুফল যাতে আম আদমি-র কাছে পৌঁছায়।’’ সেদিনের কথাগুলিই পরে আরো বিস্তারিতভাবে রূপ পেয়েছিল সাধারণ ন্যুনতম কর্মসূচী(সি এম পি)-তে, যা রূপায়ণের শর্তেই সমর্থন দিয়েছিলেন বামপন্থীরা।

সি এম পি-তে প্রতিশ্রুতি ছিল: ‘‘ ইউ পি এ সরকার নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলির দামবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী ও দৃঢ় পদক্ষেপ নেবে। ফট্‌কাবাজ, মজুতদার এবং কালোবাজারীদের ঠেকাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আইনকে কোনমতেই শিথিল করা হবে না।’’ গত চার বছরে এবিষয়ে সরকারের ভূমিকা কী ? মুদ্রাস্ফীতি প্রায় ১৩ শতাংশ, গত ষোলো বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ জায়গায়জিনিসের দাম এই সময়ে বেড়েছে দ্বিগুণ, তিনগুণ হারে। ‌খাদ্যশস্যসহ কৃষিপণ্যে ফট্‌কাবাজির রমরমা চলছে। কৃষিপণ্যে ফট্‌কাবাজি রোধে খাদ্য, ক্রেতাবিষয়ক ও গণবন্টন মন্ত্রকের সংসদীয় স্ট‌্যান্ডিং কমিটির সুপারিশ ছিল ২৫টিতে আগাম বাণিজ্য নিষিদ্ধ করা। অথচ, বামপন্থীরা বার বার  দাবি জানানো সত্ত্বেও গত মে মাস পর্যন্ত মাত্র ৪টিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। রেশন ব্যবস্থা কার্যত উঠে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। মানুষের জীবন আরো অসহনীয় হয়েছে, মানুষ দেখেছেন সরকার নির্বিকার।

অগ্রাধিকার থাকার কথা ছিল গরিবি দুর করতে, বেকারী প্রশমিত করতে, কৃষকদের ভয়াবহ সমস‌্যা মোকাবিলায়। কিন্তু কি চিত্র এখন? খোদ কেন্দ্রীয় সরকারের সমীক্ষাই বলছে, দেশের ৭৭ শতাংশ মানুষ, যার সংখ‌্যা প্রায় ৮০ কোটি, তাদের দৈনিক আয় ২০ টাকারও কম। গোটাদেশে কর্মসংস্থান কমেছে, ভয়াবহ অসাম্য, বৈষম্য, এমনকি খাদ্য নিরাপত্তাতেও সঙ্কট দেখা দিয়েছে। দেশের অর্থনীতি দৌড়োচ্ছে ৯ শতাংশ বিকাশের হার নিয়ে, আর বাস্তবে গত ৪ বছরে সংগঠিত ক্ষেত্রে কর্মসঙ্কোচন হয়েছে প্রায় ৫০ লক্ষ। কৃষিক্ষেত্রে উদারীকরণের নীতির ভয়াবহ বহির্প্রকাশ ঘটেছে কৃষকদের আত্মহত‌্যার মধ্যে দিয়ে। ন‌্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর তথ্য বলছে, ১৯৯৭ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সময়ে ১ লক্ষ ৬৬ হাজার ৩০৪ জন কৃষক আত্মহত‌্যা করতে বাধ্য হয়েছেন। ২০০২ সাল থেকে  প্রতি ৩০ মিনিটে ১ জন করে কৃষক তার জীবনকে পৃথিবী মুছে দিতে বাধ্য হয়েছেন।

প্রতিশ্রতি ছিল: দেশের শ্রমজীবীদের ৯৩ শতাংশই যারা, সেই অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিক ও ক্ষেতমজুরদের সম্পূর্ণ সামাজিক সুরক্ষার লক্ষ্যে দু’টি পৃথক আইন তৈরি করা। কিন্তু মানুষের অভিজ্ঞতা হলো, অসংগঠিত ক্ষেত্রের জন্য নাম কা ওয়াস্তে একটি বিল তৈরি করে তাকে হিমঘরে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। এমনকি শ্রম দপ্তরের স্ট‌্যান্ডিং কমিটি এবিষয়ে যে সুপারিশগুলি করেছে, তাকেও কোনোরকম তোয়াক্কা করা হচ্ছে না। ক্ষেতমজুরদের জন্য আইন তো দুর অস্ত্‌।

রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতিই বা কোথায় গেলো ? বলা হয়েছিল: ‘‘সাধারণভাবে লাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলিকে বেসরকারীকরণ করা হবে না।’’ তাহলে এয়ারপোর্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়া কি লোকসানে চলে? যে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বছরে নিট মুনাফা ৪৪৮ কোটি টাকা, আর যে লাভের ৮০ শতাংশই আসে দিল্লি, মুম্বাই আর চেন্নাই বিমানবন্দর থেকে, সেগুলো আধূনিকীকরণের নামে বিক্রি করতে বিদেশী বহুজাতিককে ডেকে আনা কেন ? বামপন্থীদের চাপে  শেষপর্যন্ত কলকাতাসহ চেন্নাই বিমানবন্দরের বেসরকারীকরণ আটকালেও রোখা যায়নি দিল্লি ও মুম্বাইকে। ৫২৬১ কোটি টাকার বিশাল মুনাফাকারী এন টি পি সি-র মতো রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার শেয়ার কোন প্রয়োজনে বাজারে বিক্রি, তা বোধগম্য হয়নি মানুষের।   

চেষ্টা হয়েছে আরো। আটকেছেন বামপন্থীরা। ব‌্যাঙ্ক, বীমা, পেনশন তহবিল, ভবিষ্যনিধি   বেসরকারী হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা ছিল প্রথম দিন থেকেই।পারেনি, কারণ বামপন্থীরা ছিল সতর্ক। শ্রমিকদের ওপর কর্পোরেট প্রভুদের দৌরাত্ম্য বাড়াতে চেষ্টা ছিল শ্রম আইনগুলিকে শিথিল করার। পেছনের দরজা দিয়ে চেষ্টাও হয়েছে অবিরত। যতটা সম্ভব রুখেছেন বামপন্থীরা। কেন্দ্রের প্রছন্ন সায়ে ও সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলির প্রত্যক্ষ মদতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে, বিশেষ করে হরিয়ানা, তামিলনাড়ু, পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থানে, এমনকি  সংগঠিত ক্ষেত্রেও শ্রমিকদের ওপর হিংস্র আক্রমণ নামিয়ে আনার ঘটনা ঘটছে

সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতকতা হয়েছে, দেশের দীর্ঘলালিত স্বাধীন বিদেশনীতিকে জলাঞ্জলি দেওয়ায়। বি জে পি-র পথেই কংগ্রেস নেতৃত্ব হেঁটেছে আমেরিকার তোষামোদে। পরমাণু চুক্তির নামে স্বাধীনতার পর থেকে চলা সহমতের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা স্বাধীন জোটনিরপেক্ষ বিদেশনীতি থেকে সরে গিয়ে  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক জোটসঙ্গী গড়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। অথচ, সাধারণ ন্যূনতম কর্মসূচীতে স্বাধীন বিদেশনীতি অনুসরণের সুস্পষ্ট ঘোষণা ছিল, ছিল বহুমেরু বিশ্বের ধারণাকে পুষ্ট করার কথা। তার বদলে যে দেশ ইরাকে, আফগানিস্তানে, পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে গণতন্ত্রকে পদদলিত করছে, সেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির প্রভাব যে ভয়ঙ্কর হবে, সেই সতর্কবার্তা বার বার জানিয়েছিলেন বামপন্থীরা। বামপন্থীরা বলেছেন, এই চুক্তির ফলে ১০০ কোটির বেশি মানুষের দেশ ভারত আমেরিকার যুদ্ধজোটে মিত্র হওয়ার ফলে গোটা পৃথিবীর ভারসাম্য টলে যাবে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের পক্ষে। এই ঘটনা আমরা কখনই মেনে নিতে পারি না।  এবং মানেননি তাঁরা, সরকার থেকে সমর্থন প্রত‌্যাহার করেছেন।

আগেই সি এম পি-তে দেওয়া প্রতিশ্রুতির ভূলে যাওয়ার চেষ্টা ছিল। আর ৮ই জুলাইয়ের  পর মনোভাব ‘গোল্লায় যাক সি এম পি’তাই আস্থাভোটে জুয়াচুরি করে জেতার পরদিনই, ২৩শে জুলাই অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরমের বন্ধনমুক্তির উল্লাস। বণিক সভা ফিকি-র বৈঠকে গিয়ে তিনি বলছেন, ব‌্যাঙ্ক-বীমা-পেনশন তহবিলকে বেসরকারীকরণের লক্ষ্যে আনা বকেয়া বিল তিনটি সংসদের পরের অধিবেশনেই পেশ করা হবে। একটি অংশের বাধায় এগুলো বকেয়া থেকে গেছে। এদিকে, মাত্র ৭দিনের মাথায় কর্মচারীদের প্রভিডেন্ট ফান্ড ম‌্যানেজারের তালিকায় ঢোকানো হলো ভায়া অমর সিং ‘নতুন মিত্র’  অনিল আম্বানির রিলায়েন্স ক‌্যাপিটালকে। পাইপলাইনে আছে আরো অনেক কিছুই, যা সরকার গড়ার সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতির বিপরীতমুখী।

এর পরেও বলবেন বিশ্বাসঘাতকতা নয়? দেশের মানুষের সঙ্গে এই প্রতারণার মাশুল গুণতে হবে কংগ্রেসকে, যেমন গুণতে হয়েছিল ১৯৯৬ সালেও তার থেকে শিক্ষা নেয়নি, কারণ ওদের ভবি ভোলবার নয়। আসলে পুঁজিবাদী বিশ্বায়ন-বেসরকারীকরণ-নয়া উদারীকরণের পথে হাঁটা কংগ্রেস যে মানুষের স্বার্থের নীতিতে অবিচল থাকতে পারে না, তা বামপন্থীরাও জানতেন, জানেন দেশের শ্রমজীবী সাধারণ মানুষও। তাই ওদের সরকারের ঘোষণা করা ‘জাতীয় সাধারণ ন্যুনতম কর্মসূচী’ ওরাই এখন আস্তাকুঁড়ে ছুঁড়ে ফেলতে চাইছে। আর সেই  সাধারণ ন্যুনতম কর্মসূচী রূপায়ণের শর্তে প্রতিনিয়ত চাপ দেওয়ার পাশাপাশি বামপন্থীদের বিশ্রামহীন লড়াই চলেছে সংসদের ভেতরে ও বাইরে। লড়াই চলেছে উদারীকরণের নীতির বিরুদ্ধে, যার শুরু ১৯৯১ সাল থেকেই 

২০শে আগস্ট ছিল সেই লড়াইয়েরই একটা ধাপ, যার মধ্যে দিয়ে আরো বড় লড়াইয়ের শুরু১৯৯১ সালের ২৯ শে নভেম্বর বিশ্বায়ন-বেসরকারীকরণ-নয়া উদারীকরণের নীতির বিরুদ্ধে প্রথম দেশব‌্যাপী ঐক্যবদ্ধ সাধারণ ধর্মঘটের মধ্যে দিয়ে দেশের শ্রমজীবী মানুষ জানান দিয়েছিলেন যে, মানছি না সাম্রাজ্যবাদের প্রেসক্রিপশন অনুসারী তোমাদের এই নীতিকে। তারপর থেকে ২০০৬ সালের ১৪ই ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১১ বার দেশজুড়ে ঐক্যবদ্ধ সাধারণ ধর্মঘট হয়েছে। ২০শে আগস্ট ছিল ১২ তম। প্রতিবারই ধর্মঘটের পরিধি বেড়েছে, যোগ দিয়েছে নতুন নতুন মিত্র। এবারের পরিধি হয়েছে আরো বড়, ধর্মঘটের সাফল্যও ছিল ব‌্যাপকতরআর তা হবে বুঝেই পাতাজোড়া বিজ্ঞাপনের পুরনো খেলায় নেমেছিল কংগ্রেস।

কিন্তু ওদের বিসমিল্লায় গলদ একটাই। অভিজ্ঞতা থেকে শেখার অভ‌্যাস নেই যে কংগ্রেসের! গত লোকসভা নির্বাচনের আগে সরকারী কোষাগারে জমা হওয়া জনগণের ৪০০ কোটি টাকা খরচ করে ‘ঝক্‌মকে ভারত’-এর বিজ্ঞাপন  দিয়েও বি জে পি-র শেষরক্ষা হয়নি। তল্পি-তল্পা গোটাতে বাধ্য করেছিলেন দেশের মানুষ।

কংগ্রেসেরও কি প্রহর গোনা শুরু হয়নি ? ২০শে আগস্ট তা সজোরে তা জানান দিয়েছে

গণশক্তি, ২১শে আগস্ট, ২০০৮, উত্তর-সম্পাদকীয়